Category Archives: ব্লগ

43th BCS Question Solution 2021 – ৪৩তম বিসিএস MCQ সমাধান

43 BCS Preliminary Exam Question Solution

The Bangladesh Civil Service (বিসিএস পরীক্ষা- BCS) is a nationwide competitive examination in Bangladesh conducted by the Bangladesh Public Service Commission (BPSC) for recruitment to the various Bangladesh Civil Service cadres, including BCS (Admin), BCS(Audit & Accounts),BCS (Taxation), BCS (Customs and Excise), BCS (Foreign Affairs), and BCS (Police) among others.[1] The examination is conducted in three phases – the preliminary examination, the written examination and the viva voce (interview). Student appears for different courses to pass those exam phase. They take BCS Model Test to check their preparation.The entire process from the notification of the preliminary examination to declaration of the final results takes 1.5 to 2 years.

43th bcs question solution
43th bcs question solution
43th bcs question solution
43th bcs question solution
43th bcs question solution
43th bcs question solution
43th bcs question solution
43th bcs question solution
43th bcs question solution
43th bcs question solution

43th BCS question solution 2021 has been published today. Are you searching 43th BCS examination question solution? If yes, then you are welcome to this post to get BCS question solution. This examination is hold on 29 October 2021. The exam is started at the Sharp time 10:00 a.m. And it continue till 12:00 Pm. The exam duration only 2 hours for 200 marks MCQ questions. The details of this examination with question solution is available in this post.

43th BCS question solution pdf

Are you find 43th bcs question solution pdf file ? You are reached a right place. Here you see the the 43th bcs Preli question solution. If you are interested Just click and download 43th bcs question pdf file. Thank you.

৪৩তম বিসিএস পরিক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান নিম্নে দেখে নিনঃ

প্রথমেই আমরা বিসিএস পরিক্ষার এমসিকিউ প্রশ্ন দেখে নিন। তারপরে নিচের দিকে ৪৩তম বিসিএস পরিক্ষার সমাধান দেখবো।

৪৩তম বিসিএস পরিক্ষার প্রশ্ন সমাধান, 43th BCS question solution

43th bcs question solution 2021
43th bcs question solution 2021
43th bcs question solution 2021
43th bcs question solution 2021
43th bcs question solution 2021
43th bcs question solution 2021
43th bcs question solution 2021

আশা করি আপনারা ৪৩তম বিসিএস পরিক্ষার সমাধান পেয়েছেন। যদি মনে করেন এতে আপনার উপকার হয়েছে। তাহলে অবশ্য এই পোস্টি সবার মাঝে শেয়ার করে দিবেন। তাহলে আপনার সাথে সাথে অন্যদের ও সহযোগিতা হবে। যদি মনে হয়ে ৪৩তম বিসিএস পরিক্ষার এই সমাধান এ কোথাও ভূল আছে। আশা করি আপনার তার উপযোক্ত প্রমাণ সহ কমেন্টে তুলে ধরবেন। তাহলে চেষ্টা করবো তার সমাধান করতে।

সবার জন্য রইল শুভ কামনা।

Special Thanks for “JOYKOLYPUBLICATION LTD” and “EduHive”

পুলিশ কনস্টেবলে কিভাবে আবেদন করতে হবে ?

How to apply Police Constable Circular 2021

Police constable Circular Summary:

  • Organization name : Bangladesh Police
  • Position Name: Police Constable
  • Salary : 9000-21800
  • Number of Vacancies : 3000.
  • Total Post: 1
  • Publication Date : 10 September 2021
  • Application Start: 10 September 2021
  • Application Deadline : 07 October 2021

ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে এ্যাপ্লিকেশন ফরম পূরণের পদ্ধতি

বাংলাদেশ পুলিশের একটি নতুন পুলিশ চাকরির বিজ্ঞপ্তি অনলাইনে প্রকাশ করেছে। আমরা অনেকেই আছি কিভাবে পুলিশের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করতে হবে জানি না। তাই যেভাবে পুলিশের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করতে হবে, তার বিস্তারিত জানতে পারবেন এই পোস্টের মাধ্যমে। আশা করি যদি এই পোস্ট প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়েন তাহলে আপনি নিজে নিজেই পুলিশ কনস্টেবলের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করতে পারবেন। তাই চলুন শুরু করা যাক।

পুলিশের এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করতে হবে টেলিটকের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। টেলিটকের মাধ্যমে এই কনস্টেবল পদের আবেদন করতে ফি দিতে হবে শুধুমাত্র ৩০ টাকা। যেহেতু এসএমএস করে ফি জমা করতে হবে তাই কমপক্ষে আপনার টেলিটক সিমে ৩৪ টাকা উঠিয়ে ফি দিবেন। না হলে আপনার ফি জমা হবে না। কারন মেসেজ সেন্ট করতে টাকা কেটে যাবে। তখন ৩০ টাকা না থাকায় ফি কাটবে না। আপনার আবেদন ও হবে না। আর আবেদন করা ঠিকঠাক ভাবে হলে আপনার মোবাইলে ইঊজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড আসবে। যদি না আসে তাহলেও আপনার আবেদন করা হয়নি বলে ধরে নিতে হবে। এখন আমরা আরো বিস্তারিত নিচের দেখে দেখে নিই।

১. http://police.teletalk.com.bd লিংকে প্রবেশ করুন। লিংকে প্রবেশ করলে নিম্নের দেওয়া ছবির মতো আসবে।

২. Application Form for Trainee Recruit Constable (TRC)-তে ক্লিক করুন।

৩. Application Form এ ক্লিক করুন।

কিভাবে পুলিশ কনস্টেবলে আবেদন করতে হবে

৪. Trainee Recruit Constable সিলেক্ট করে Next এ ক্লিক করুন।

পুলিশ আবেদন করার নিয়ম

৫. Form টি পূরণ করুন।

কিভাবে টেলিটকের মাধ্যমে পুলিশে আবেদন করতে হয়

৬. Form টি পূরণের ক্ষেত্রে লাল স্টার চিহ্নিত তথ্যগুলো অবশ্যই পূরণ করুন।

৭. Form এ যে মোবাইল নম্বরটি প্রদান করবেন তা সর্বদা সচল রাখতে হবে (যাতে পরবর্তীতে কোনো এসএমএস প্রদান করলে তা গ্রহণ করতে পারে)।

৮. যথাযথভাবে Validation Code টাইপ করুন।

৯. Form এর নিচের দিকের চিহ্নিত ঘরে (টিক চিহ্ন) দিয়ে Next এ ক্লিক করুন।

১০. Form পূরণ করার পর কোনো ভুল পরিলক্ষিত হলে Form এর নিচের দিকে Click here to edit the application এ ক্লিক করুন।

১১. পূনরায় Form টি সঠিকভাবে পূরণ করুন।

১২. পূনরায় সঠিকভাবে Form পূরণের সময় যে সকল স্থানে District এবং Thana/Upazilla এর তথ্য পূরণ করা হয়েছে (যেমন- Present Address, Permanent Address, District of Freedom Fighter etc) সে সকল ক্ষেত্রে District এর স্ক্রলবারে অন্য একটি District সিলেক্ট করে পূনরায় সঠিক District সিলেক্ট করে Thana/Upazilla সিলেক্ট করুন।

এ ছাড়া Quota এর ক্ষেত্রে একইভাবে Quota স্ক্রলবারে গিয়ে অন্য একটি Quota সিলেক্ট করে পূনরায় সঠিক Quota সিলেক্ট করুন। বিশেষ করে Police(General) এবং Police(ward)এ তথ্য সংশোধনের ক্ষেত্রে Rank এর স্ক্রলবারে গিয়ে পূনরায় সঠিক সিলেক্ট করুন।

১৩. নতুন করে সঠিকভাবে Form পূরণের পর Form এর নিচের দিকের Square চিহ্নিত ঘরে (টিক চিহ্ন) মুছে দিয়ে আবার (টিক চিহ্ন) দিয়ে Next এ ক্লিক করুন।

১৪. সকল তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করা হলে Upload Photo & signature স্ক্রলবারে ৩০০X৩০০ Pixel ছবি এবং ৩০০X৮০ Pixel স্বাক্ষর Upload করুন।

১৫. Photo & Signature Upload করার ক্ষেত্রে Photo & Signature Validator option এ Photo & Signature size ঠিক আছে কিনা , তা চেক করে নিন।

১৬. Form এর নিচের দিকের Square চিহ্নিত ঘরে (টিক চিহ্ন) দিয়ে Submit the application এ ক্লিক করুন। নিম্নের দেওয়ার ছবিটি দেখে নিনঃ

পুলিশের চাকরিতে আবেদনের নিয়ম

১৭. পরবর্তী প্রয়োজনে Form টি ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে রাখুন।

১৮. আবেদনটি সঠিকভাবে গৃহীত হওয়ার পর আবেদনপত্রে উল্লিখিত নিচের নির্দেশিকাটি ভালোভাবে পড়ে এসএমএস এর মাধ্যমে নির্ধারিত ফি প্রদান করুন। ফি প্রদান সম্পন্ন হলে আপনার মোবাইলে মেসেজ আসবে। আপনি আবেদন করতে সাকসেস হয়েছেন।

পুলিশের আবেদন ফর্ম ডাউনলোড

১৯. পরবর্তীতে User ID এবং Password সংবলিত এসএমএস আসলে http://police.teletalk.com.bd লিংকে প্রবেশ করুন।

২০. Application Form for Trainee Recruit Constable (TRC)-তে ক্লিক করুন।

২১. Admit Card-এ ক্লিক করে এসএমএস এর মাধ্যমে প্রাপ্ত User ID এবং Password ব্যবহার করে Submit Option এ ক্লিক করুন। অত:পর ২ (দুই) কপি Admit Card সংগ্রহ করুন।

২২. Admit Card এ উল্লিখিত সময় ও তারিখ অনুযায়ী নির্ধারিত স্থানে Admit Card এবং নিয়োগে উল্লিখিত কগজপত্র এবং অন্যান্য সামগ্রীসহ উপস্থিত থাকতে হবে।

আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন, কিভাবে পুলিশের চাকরিতে আবেদন করতে হবে।

আপনি যদি এটি পড়ে বুঝতে না পারেন তাহলে আমাদের চানেলে ভিড়িও আছে, কিভাবে আবদেন করতে হবে পুলিশ, সেটি দেখে নিতে পারেন।

পুলিশ কনস্টেবলে যেভাবে আবেদন করতে হবে তার বিস্তারিত || How to apply police constable circular 2021

আপনি চাইলে টেলিটকের ওয়েবসাইটে দেওয়া ভিডিওটিও দেখে নিতে পারেন পুলিশের এই সার্কুলারে আবেদন করার জন্য। সেখানে তারা খুব সহজ করে ভিড়িওর মাধ্যমে দেখিয়ে দিয়েছে, কিভাবে পুলিশের চাকরিতে টেলিটক দেয়ে আবেদন করতে হয়ঃ

সর্বপরি আপনি যদি পুলিশের সার্কুলারটি ডাউলোড করতে চান তাহলে, নিচে থেকে সারকুলারটি ডাউনলোড করে নিন।

ধন্যবাদ। যদি পোস্টি আপনার কাছে তথ্যবহুল মনে হয়। তাহলে সবাইকে জানানোর জন্য আপনার পরিচিতদের মাঝে শেয়ার করে দিন। শেয়ার করার জন্য নিচে থেকে ফেইসবুক, টুইটার বা অন্যান্য সোসিয়াল বাটনে ক্লিক করোন। আবারো ধন্যবোদ।

Related Tags: How to apply police job circular, how to apply police constable circular,how to apply police constable 2021,bangladesh police job circular,Police Constable Job Circular 2021,police job circular,police job circular 2021, bangladesh police job circular 2021,police job circular 2021 pdf,bd police job circular 2021 pdf,bangladesh jail police job circular 2021,bangladesh police si job circular 2021,highway police job circular 2021,industrial police job circular 2021,bangladesh police cid job circular 2021,bd police job circular 2021 constable,কিভাবে পুলিশের চাকরিতে আবেদন করতে হবে, পুলিশ চাকরিতে কিভাবে আবেদন করতে হবে, পুলিশ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি,বাংলাদেশ পুলিশ নিয়োগ ২০২১ ,বাংলাদেশ পুলিশ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২১ ,জেল পুলিশ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২১,ডিবি পুলিশ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২১,ট্রাফিক পুলিশ নিয়োগ ২০২১,বাংলাদেশ পুলিশ নিয়োগ ২০২১ সার্কুলার,বাংলাদেশ পুলিশ এস আই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২১,পুলিশ নিয়োগ যোগ্যতা,রেলওয়ে পুলিশ নিয়োগ ২০২১,গোয়েন্দা পুলিশ নিয়োগ 2021, পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২১

গার্মেন্টস চাকরির বেতন-ভাতা, সুযোগ-সুবিধা ইত্যাদি

Garments job salary & Advantage in Bangladesh

গার্মেন্টস চাকরির পদ যোগ্যতা ও বেতন কেমন – Garments job:

দিন দিন আমাদের দেশে বেকারত্বের হার বেড়েই চলেছে! তো আজকে আমার অলোচনা করবো গার্মেন্টস চাকরির পদ যোগ্যতা ও বেতন কেমন? অনেকে পড়াশোনা শেষ করে চাকরির পেছনে ঘুরেও পাচ্ছে না চাকরি! বর্তমানে তাই বেশ শিক্ষিত তরুন-তরুনিও বেছে নিচ্ছেন বেসরকারি চাকরি। এর মধ্যে গার্মেন্টসের চাকরির বাজারই সর্বাপেক্ষা বৃহৎ।

দেশে পোশাক কারখানা বেড়েই চলেছে। তাই আপনিও সহজেই এই পোশাক শিল্পতে চাকরি করে নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে পারেন। চলুন একে একে জেনে নেয়া যাক;

  • গার্মেন্টস চাকরির পদ যোগ্যতা কি লাগে?
  • এ চাকরির সুবিধা কি কি?
  • গার্মেন্টস চাকরির বেতন ভাতা কেমন হয়?
  • কোন পদের বেতন কেমন সব বিস্তারিত।
  • গার্মেন্টস চাকরির কিছু সুবিধা সমূহ:

গার্মেন্টস চাকরির কিছু সুবিধা সমূহ

গার্মেন্টস চাকরির সুবিধাগুলো নিম্নে দেখুন। সবগুলো তো জানানো সম্ভব না। চেষ্টা করেছি মোটামুটি জানাতে। তো দেখেনিন।

  • সহজেই গার্মেন্টস চাকরিতে জয়েন করা যায়।
  • গার্মেন্টস চাকরিতে কোনো প্রকার ঘুষ দিতে হয় না।
  • গার্মেন্টসের চাকরিতে বেশির ভাগ পদে অভিজ্ঞতা লাগে না।
  • গার্মেন্টস চাকরিতে দ্রুত পদোন্নতি ঘটে।
  • গার্মেন্টসের চাকরিতে ওভার টাইম এর মাধ্যমে বেশি বেতন লাভের সুযোগ রয়েছে।
  • গার্মেন্টস চাকরিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা খুব একটা বড় বিষয় নয়।
  • সরকারি চাকরির মতো গার্মেন্টস চাকরিতে উৎসব ভাতা রয়েছে। যেমনঃ দুই ঈদে ঈদ বোনাস হিসেবে দেয়া হয়।
  • কোন কোন গার্মেন্টসে মধ্যহ্নভোজের ব্যবস্থা রয়েছে।
  • পরিবহন সুবিধাও রয়েছে।
  • গার্মেন্টস চাকরিতে হাজিরা বা উপস্থিত বোনাস রয়েছে। যা বাড়তি বেতনের নিশ্চয়তা দেয়।
  • গার্মেন্টসে পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ পরিবেশে কাজের সুযোগ রয়েছে।
  • ফায়ার ড্রিল সহ কর্মীদের বিভিন্ন নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।

গার্মেন্টস চাকরির বেতন

গার্মেন্টস চাকরির পদ, যোগ্যতা ও বেতন জানতে নিচের লেখা পড়ুনঃ
অন্যান্য চাকরির ন্যায় গার্মেন্টস চাকরির ক্ষেত্রেও বিভিন্ন পদ রয়েছে। আবার বিভিন্ন পদ ভেদে তাদের বেতন ভাতার ধরনও আলাদা হয়ে থাকে! নিচের লেখাগুলো একটু মনোযোগ দিয়ে পড়লেই গার্মেন্টসের পদের ও বেতন ভাতার ক্যাটাগরি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন! তো চলুন গার্মেন্টস চাকরি বিভিন্ন পদ ও বেতন ভাতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা যাকঃ

১। অপারেটর : প্রথমেই অপারেটরের কথা বলা যাক। গার্মেন্টসে উৎপাদন মূলত অপারেটর এর উপর নির্ভর করে। তারা বিভিন্ন প্রকারের সেলাই মেশিন চালনায় দক্ষ হয়ে থাকে! সরাসরি পূর্ব অভিজ্ঞতা ছারা কেউ অপারেটর হতে পারে না; এর জন্য হেলপার হয়ে জয়েন করতে হয় অথবা বিভিন্ন ট্রেনিং সেন্টারে গিয়ে ট্রেনিং নিয়ে অপারেটর হতে হয়! অপারেটররা হলেন একটি গার্মেন্টস তথা একটি পোশাক শিল্পের প্রধান শক্তি।
গার্মেন্টস অপারেটরের বেতন কেমন ? বর্তমান ২০২১ সাল থেকে অপারেটরদের বেতন বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিভিন্ন! তবে, একজন নতুন অপারেটরের বেতন বর্তমানে ৮ হাজার ৫০০ টাকা থেকে শুরু হয়; এবং সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে! এটা হলো মূল বেতন। গার্মেন্টসে অভার টাইম কাজ করার সুযোগ থাকে; ফলে মূল বেতন থেকে আরো অনেক বেশি টাকা ইনকামের সুযোগ থাকে।

২। হেলপার : হেলপারের কাজ মূলত অপারেটর কে সাহায্য করা ! পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াই খুব সহজেই আপনি এই পদে চাকরি পেতে পারবেন।
গার্মেন্টস হেলপারের বেতন কেমন ? হেলপার বলতে সাধারনত যারা নতুন তাদের বোঝানো হয়। এজন্য তাদের বেতন সব চেয়ে কম হয়ে থাকে! তাদের বেতন প্রায় ৮ হাজার থেকে শুরু হয়ে থাকে।

৩। সুপারভাইজার : নাম থেকেই বোঝা যায় ,যার কাজ সুপারভাইজ করা ! ইনি অপারেটর ও হেলপার এর কাজ দেখাশোনা করেন এবং কাজের পরিমান হিসাব রাখেন; এবং তার অধিনে কিছু অপারেটর ও হেলপার কাজ করেন। তিনি অভিজ্ঞতা সম্পন্ন! বলে রাখা ভালো যে, গার্মেন্টসে বিভিন্ন ক্যাটাগরির সুপারভাইজারের পদ রয়েছে। যেমন; জুনিয়র বা সিনিয়র সুপারভাইজার এবং অপরদিকে সুইং সুপারভাইজার, কাটিং সুপারভাইজার, ফিনিশিং সুপারভাইজার সহ; সুপারভাইজারেরই বিভিন্ন রকমের পদ রয়েছে।
গার্মেন্টস সুপারভাইজারের বেতন কেমন ? গার্মেন্টস চাকরির সুপারভাইজার পদ টির বেতন ১২ হাজার টাকা থেকে ১৮ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।

৪। লাইনচিপ্স : তার অধীনে কয়েকটি লাইন কাজ করে! তিনি সুপারভাইজার, অপারেটর, হেলপারগনের কাজ দেখাশোনা ও তদারকি করেন। তিনি অভিজ্ঞতা সম্পন্ন।
লাইনচিপ্সদের বেতন ২০ হাজার থেকে ২৪ হাজার হয়ে থাকে।

৫। ইনচার্জ: একটি ফ্লোরের সমস্ত দ্বায়িত্বে নিযুক্ত থাকেন ইনচার্জ। ইনচার্জের অধিনে ফ্লোরের সবাই কাজ করে! ইনচার্জের বেতন ২৫ থেকে ৩০ হাজার হয়ে থাকে।

৬। মার্কারম্যান : মার্কারম্যানের কাজ কাগজে নকশার ছাপ তৈরি করা, যা দিয়ে থাক কাপর বা লে পোশাক তৈরি মাপ অনুযায়ী কাটা হয়। অভিজ্ঞতা লাগে।
মার্কারম্যানের বেতন অপারেটরদের অনুরুপ হয়ে থাকে।

৭। লে ম্যান: ইনারা কাপড়ের রোল থেকে কাপড় বিছিয়ে রাখেন। তার ওপর নকশা রেখে কাপড় কাটা হয়! অভিজ্ঞতা ছাড়া নিয়োগ দেয়া হয়! লে ম্যানের বেতন হেলপারের অনুরুপ হয়।

৮। কাটার ম্যান : গার্মেন্টসে ইনার নকশার উপরে মেশিন রেখে কাপড় কাটেন। অভিজ্ঞতা লাগে! কাটার ম্যান মূলত সিনিয়র অপারেপটর। সুতরং কাটার ম্যানের বেতন সিনিয়র অপারেটর মতো ১২ থেকে ১৪ হাজার হয়।

৯। নাম্বারম্যান: গার্মেন্টসে ইনাদের কাজ নাম্বার করা। অভিজ্ঞতা ছাড়াই চাকরি পাওয়া যায়। হেলপারের মতো বা হেলপারের চেয়ে সামান্য বেশি বেতন হয়ে থাকে।

১০। বান্ডিলম্যান : বান্ডিলম্যানের কাজ হলো নাম্বার করা বডি বা কাপড় বান্ডিল করে সেলাইয়ের জন্য প্রস্তুত করে দেয়া! সাধারনত পূর্ব অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হয় না। বান্ডিল ম্যানের বেতন, হেলপারের সমপরিমান বেতন হয়।
গার্মেন্টস চাকরির আরো পদ যোগ্যতা ও বেতন সমূহ আলোচনাঃ

১১। ইনপুটম্যান : ইনারা বিভিন্ন কাজের হিসাব রাখেন । প্রয়োজনে সেলাইয়ে জন্য কাপড় ইনপুট দেন! অভিজ্ঞতা লাগে। অনভিজ্ঞকেও মাঝে মাঝে নিয়োগ দিয়ে প্রশিক্ষ দেয়া হয়। ইনপুট ম্যানের বেতন অপারেটর বেতনের কাছাকাছি হয়।

১২। আইরন ম্যান : ইনারা কাপড় আইরন বা ইস্ত্রী করেন। অভিজ্ঞতা ছাড়াই চাকরি দেয়া হয়! আইরন ম্যানের বেতন, হেলপারের সমপরিমান বা একটু বেশি বেতন হয়।

১৩। সিজার ম্যান : বিভিন্ন ক্ষেত্রে সিজার করার কাজ করতে হয়। অভিজ্ঞ লোকের গুরুত্ব দেয়া হয়! সিজারম্যানের বেতন অপারেটরদের সমপরিমান হয়।

১৪। কোয়ালিটি : কোয়ালিটিরা পোশাক বা কাপড়ের কোয়ালিটি বা গুনাগুন পরিক্ষা করে থাকেন! অচল পশাক চিহ্নিত করেন । অভিজ্ঞতা না থাকলেও শিক্ষিত লোকদের নিয়োগ দেয়া হয়। কোয়ালিটির বেতন অপারেটরদের বেতনের সমপরিমান হয়।

১৫। কোয়ালিটি কন্ট্রলার : ইনারা সুপারভাইজার এর মতো দায়িত্ববান। অভিজ্ঞতা লাগে! কোয়ালিটিদের বেতন, সুপারভাইজারদের অনুরুপ হয়।

১৬। মেকানিং: এরা বিভিন্ন মেকানিং এর দায়িত্ব পালন করেন! মেকানিকের বেতন প্রায় সুপারভাইজারের বেতনের কাছাকাছি হয়।

১৭। HR ও এ্যাডমিন : এদের কাজ লোক নিয়োগ কাজ পরিচালনা করা। বিভিন্ন কাজের হিসাব রাখাসহ বিভিন্ন অফিসিয়াল কাজ সম্পন্ন করতে হয়! অভিজ্ঞতা না লাগলেও প্রযুক্তি জ্ঞান, কম্পিউটা জ্ঞান ও শিক্ষিত হতে হয়! গার্মেন্টস চাকরির HR ও এ্যাডমিন প্যানেল পদ এর বেতন একটু বেশি হয়ে থাকে! তাদের বেতন ২০ থেকে ৫০ হাজার হয়ে থাকে।

১৮। ম্যানেজার : প্রতি ইউনিটের জন্য ম্যানেজার থাকেন। যেমন; কাটিং ম্যানেজার, কোয়ালিটি ম্যানেজার, সুইং ম্যানেজার ইত্যাদি। ম্যানেজারের বেতন ৪০ হাজার থেকে ৫০ হাজার হয়ে থাকে।

এছাড়া আরো অনেক পদ রয়েছে; যেমনঃ গার্মেন্টস সিকিউরিটি গার্ড; নিরাপত্তা কর্মী; মেডিকেল MBBS ডাক্তার; পরিচ্ছনতা কর্মী ; আয়া; টাইম কিপার; মালী, ড্রাইভার, ইত্যাদি ইত্যাদি।

গার্মেন্টস চাকরির কাজ কি

উপরে উল্লেখিত পদ ছাড়াও গার্মেন্টস এ আরো পদ রয়েছে! আপনার কাজের দক্ষতা ও কাজের মান এবং যোগত্য দেখে গার্মেন্টস আপনার চাকরির পদ সাথে বেতন নির্ধারন করবে! তবে Garments job এর ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার চেয়ে, পেশাগত যোগ্যতাকে বেশি প্রাধান্য দেয়া হয়! তাই আপনার যদি Garments job এর কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকে তবে আপনি এ গার্মেন্টস চাকরিতে সাফাল্য অর্জন করতে পারবেন।
বিঃদ্রঃ

Garments job এ 2019 থেকে সর্বনিম্ন বেতন ৮৫০০ টাকা। তবে, বিভিন্ন গার্মেন্ট শিল্প কারখানাতে বেতন কাঠামো ভিন্ন হয়ে থাকে! শুনতে অবাক লাগলেও, আমাদের দেশে পোশাক কারখানাতে নারীর চাইতে, পুরুষের বেতন কিছুটা বেশি হয়ে থাকে! এছাড়া এলাকা ও পরিবেশ ভেদে গার্মেন্টস চাকরির পদ অনুযায়ী বিভিন্ন স্কেলের বেতন কাঠামো বিদ্যামান।

গার্মেন্টস চাকরির পদ যোগ্যতা ও বেতন কাঠামো নিয়ে আমাদের এ পোষ্ট টি আপনার কেমন লেগেছে তা কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না! পোষ্টটি ভালো লাগলে সবার সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না। আপনার জন্য শুভকামনা রইলো।

Related Tags: গার্মেন্টস চাকরির বেতন,গার্মেন্টস চাকরির কিছু সুবিধা সমূহ,গার্মেন্টস চাকরির কাজ কি, গার্মেন্টস চাকরির পদোন্নতি, গার্মেন্টস কোয়ালিটি নিয়োগ,গার্মেন্টস কোয়ালিটি প্রশিক্ষণ,গার্মেন্টস চাকরি চাই ,গার্মেন্টস কোয়ালিটি কাজ,গার্মেন্টস চাকরি গাজীপুর ,গার্মেন্টস আই ই বেতন,গার্মেন্টস কোয়ালিটি কন্ট্রোলার ট্রেনিং,গার্মেন্টস নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি,গার্মেন্টস চাকরির বেতন-ভাতা, সুযোগ-সুবিধা ইত্যাদি, garment,garments, jobs in bangladesh in garment industry,garments- job in gazipur,all garments job circular 2021,bd jobs garments buying house,garments job salary in bangladesh,bdjobs,garments job in gazipur 2021,garment job salary,garments computer job,গার্মেন্টস ,গার্মেন্টস চাকরি

আনসার ব্যাটালিয়ন আবেদনের যোগ্যতা, কাগজপত্র,পরিক্ষার ধরন, বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা

Bangladesh Ansar VDP Or Ansar Battalion

বাংলাদেশ আনসার ব্যাটালিয়ন আবেদনের যোগ্যতা, কাগজপত্র,পরিক্ষার ধরন, বেতন-ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা:

আবেদনের যোগ্যতা : কমপক্ষে মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। অবিবাহিত ও বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক হতে হবে। সাধারণ পুরুষ ও অন্যান্য প্রার্থীর ক্ষেত্রে উচ্চতা ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি, ওজন ৪৯.৮৯৫ কেজি ও বুকের মাপ স্বাভাবিক অবস্থায় ৩২-৩৪ ইঞ্চি হতে হবে। উপজাতি পুরুষের উচ্চতা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি, ওজন ৪৭.১৭৩ কেজি এবং বুকের মাপ স্বাভাবিক অবস্থায় ৩০-৩২ ইঞ্চি হতে হবে। দৃষ্টিশক্তি চাওয়া হয়েছে ৬ বাই ৬ ।

অগ্রাধিকার পাবেন অধিক উচ্চতাসম্পন্ন, শহীদ পরিবারের সদস্য, তালিকাভুক্ত আনসার-ভিডিপি সদস্য ও ক্রীড়াক্ষেত্রে পারদর্শীরা।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত তারিখে বয়সসীমা ১৮ থেকে ২২ বছর হতে হবে।

আবেদন পদ্ধতি: বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর রিক্রুটমেন্ট পোর্টাল থেকে অনলাইনে আবেদন করতে হয় । আবেদন করার সময় রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ ২০০ টাকা পোর্টালে বিকাশ বা রকেট অথবা মোবিক্যাশের মাধ্যমে জমা দিতে হবে। আবেদন শেষে অনলাইনে প্রবেশপত্র দেওয়া হবে। এটি প্রিন্ট করে সংরক্ষণ করতে হবে এবং বাছাই পরীক্ষার সময় সঙ্গে নিতে হবে।

যে কাগজপত্র লাগবে :

  • প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা সত্যায়িত শিক্ষাগত যোগ্যতা, নাগরিকত্ব সনদ, চারিত্রিক সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র, প্রবেশপত্রের এক কপি ফটোকপিসহ মূল সনদ সঙ্গে নিতে হবে।
  • অবিবাহিত মর্মে মেয়র অথবা কমিশনারের কাছ থেকে লিখিত আনতে হবে।
  • পাসপোর্ট সাইজের সদ্য তোলা ছয় কপি সত্যায়িত রঙিন ছবি লাগবে।
  • আনসার-ভিডিপির সদস্য, এতিমখানা নিবাসী ও উপজাতি কোটার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দেওয়া সনদ লাগবে।
  • মুক্তিযোদ্ধা কোটার জন্য প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে সম্পাদিত হলফনামা অথবা সাকসেশন সার্টিফিকেট উপস্থাপন করতে হবে।

পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করার জন্য যাবতীয় উপকরণ আপনার নিজেকেই আনতে হবে। যেমনঃ কলম, পেনসিল ও ক্লিপবোর্ড ইত্যাদি।

পরীক্ষার প্রস্তুতিঃ

আনসার ব্যাটালিয়ন মেডিক্যাল টেস্টঃ শারীরিক যোগ্যতা পরীক্ষায় টেকার জন্য প্রার্থীকে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত উচ্চতা ও ওজন ঠিক থাকতে হবে। এ ছাড়া বয়স, বুকের প্রস্থ ও ওজন ঠিক আছে কি না যাচাই করা হবে। শরীরের বিভিন্ন অংশে কোনো কাটা-ছিঁড়া বা শারীরিকভাবে কোনো ফ্র্যাকচার রয়েছে কি না পরীক্ষা করা হবে। দৌড়ের সময় দুই হাঁটু মিলে যায় কি না, হাতের আঙুল ঠিক আছে কি না—এসব বিষয় দেখা হবে। শারীরিক ফিটনেস পরীক্ষা করা হবে। এর জন্য অংশ নিতে হবে দৌড় প্রতিযোগিতা, হাই জাম্প, লং জাম্পে। এসব বিষয় ভালো করার জন্য নিয়মিত ব্যায়াম, দৌড়াদৌড়ি করতে হবে। শারীরিক পরীক্ষার সময় ঢিলেঢালা পোশাক পরে যাওয়াই ভালো।

আনসার ব্যাটালিয়ন লিখিত পরীক্ষা : শারীরিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে মিলবে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ। সাধারণত ৭০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা হয়ে থাকে। বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান থেকে প্রশ্ন আসে। পঞ্চম-দশম শ্রেণির পাঠ্য বইয়ের সিলেবাস অনুসারে প্রস্তুতি নিতে হবে। সুযোগ থাকলে বিগত বছরের প্রশ্ন সংগ্রহ করে দেখে নিতে হবে। বিগত বছরের প্রশ্নপত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বাংলায় রচনা, ভাব-সম্প্রসারণ, এককথায় প্রকাশ, সন্ধিবিচ্ছেদ, বাগধারা বা সমার্থক শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে। এ ছাড়া বিভিন্ন কবি-সাহিত্যিকের জীবন ও কর্ম, বিখ্যাত গ্রন্থের নাম, চরিত্রের নাম থেকে প্রশ্ন আসতে পারে। কবি-সাহিত্যিকের উল্লেখযোগ্য উক্তি দিয়েও ব্যাখ্যা করতে বলা হতে পারে। ইংরেজিতে সাধারণত Fill in the Gaps, Tense, Noun, Pronoun, Adjective, Sentence Making, Translation থেকে প্রশ্ন আসে।

গণিতে অষ্টম থেকে দশম শ্রেণির পাঠ্য বইয়ের পাটিগণিত ও বীজগণিত থেকে প্রশ্ন আসে। লসাগু-গসাগু, সুদকষা, শতকরা ও লাভ-ক্ষতি থেকে প্রশ্ন আসতে পারে। সাধারণ জ্ঞানে সাধারণত প্রশ্ন কম আসে। এ বিষয়ে সমসাময়িক বিষয়ের ওপর নজর দিতে হবে। তা ছাড়া মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রশ্ন থাকবেই।

আনসার ব্যাটালিয়ন মৌখিক পরীক্ষা : মৌখিক পরীক্ষায় বরাদ্দ ৩০ নম্বর। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণরাই শুধু মৌখিক পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবে। প্রার্থীর কথা বলার ধরন, চিন্তাচেতনা, দেশপ্রেম, কঠোর পরিশ্রম করার স্পৃহা, বিভিন্ন পরিস্থিতি সামলে নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে কি না, তা দেখা হয়ে থাকে মৌখিক পরীক্ষায়। বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর কার্যক্রম সম্পর্কে প্রশ্ন করা হতে পারে।

আনসার ব্যাটালিয়ন প্রশিক্ষণঃ আনসার ব্যাটালিয়ন নির্বাচিত হওয়ার পর ৬ মাসের প্রশিক্ষন গ্রহণ করতে হবে। এই ৬ মাস প্রশিক্ষন কালিন সময়ে দৈনিক ১৫০ টাকা করে প্রশিক্ষণ ভাতা পাবে। তাছাড়াও বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা পাবে আনসার ভিডিপিরা।

আনসার ব্যাটালিয়ন বেতন-ভাতা: ব্যাটালিয়ন আনসাররা সমতলে ও পাহাড়ি এলাকায় কাজ করার সময় যথাক্রমে দৈনিক ৫১৬.৬৬ ও ৫৩৩.৩৩ টাকা হারে ভাতা পাবে। থাকছে ১০ হাজার টাকা করে বছরে দুবার উত্সবভাতা। আরো থাকছে সরকারি রেশন সামগ্রী এবং ফ্রি চিকিৎসা সেবা।

আনসার ব্যাটালিয়ন দুর্ঘটনা জনিত ভাতাঃ কর্মরত অবস্থায় কোনো ব্যাটালিয়ন সদস্য স্বাভাবিক মৃত্যুবরণ করলে অনুদান হিসেবে ৫০ হাজার টাকা ও দুর্ঘটনাজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করলে এক লাখ টাকার জীবন বীমা সুবিধা পাবে। কর্মরত অবস্থায় নিহত হলে তার পরিবারকে পাঁচ লাখ টাকা এবং গুরুতর আহত হলে দুই লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হবে।

ধন্যবাদ আশা করি আনসার ব্যাটালিয়ন সম্পর্কে আপনারা একটা ধারণা পেয়েছেন।

পুলিশের সুযোগ-সুবিধা, বেতন এবং যোগদানের কাগজপত্র

Police Admission Paper, Salary & Facilities

পুলিশের সুযোগ-সুবিধা, বেতন এবং যোগদানের কাগজপত্র || Bangladesh Police || BD Police || Police

পুলিশের চাকরি নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই। তবে আজ আমি গুরুত্বপুর্ণ দুটি বিষয় আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম। আশা করি আপনাদের খুব কাজে আসবে। তো চলুন দেখে নেয়া যাক বিষয় দুটি।

১. পুলিশের চাকরির জন্য কি কি কাগজ লাগে ?

২. বাংলাদেশ পুলিশের কনস্টেবল পদের সুযোগ সুবিধা ??

** প্রথমেই দেখি পুলিশে যোগদানের কাগজপত্রর বিষয়টি।

  1. শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র/ সাময়িক সনদপত্রের মূল কপি।
  2. সর্বশেষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান প্রদত্ত চারিত্রিক সনদপত্রের মূলকপি।
  3. স্থায়ী নাগরিকত্ব সনদপত্রের মূলকপি।
  4. প্রার্থীর জাতীয় পরিচয়পত্রের মূলকপি, প্রার্থীর জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকলে পিতা/ মাতার পরিচয়পত্রের মূলকপি।
  5. কোটায় আবেদনকারীদের কোটা প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রত্যয়নপত্র/ সনদপত্র।
  6. ৩ কপি সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত ছবি।
  7. পরীক্ষার ফি বা অনলাইনে আবেদন করে থাকলে, পরীক্ষার ফি জমার রশিদ ও আবেদনের মুল কপি সাথে রাখতে হবে।
  8. সরকারি/ আধা-সরকারি/ স্বায়ত্বশাসিত সংস্থায় চাকরিরত প্রার্থীদের যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতিপত্র।
  9. জন্ম নিবন্ধন, অভিবাবকের সম্মতিপত্র, অবিবাহিত সনদপত্র, দৌড়, জাম্প, সাতার ইত্যাদির কোন সার্টিফিকেট থাকলে সেগুলোও সাথে রাখতে পারেন। আশাকরি এর থেকে বেশি কাগজপত্র প্রয়োজন হবে না।

পুলিশের পরিক্ষা দেওয়ার আগে অবশ্যই সারকুলারটি ভালো করে কয়েকবার পড়ে নিবেন। যদি কোন কারনবসত এইসব কাগজপত্র ছাড়া অন্য কোন কাগজপত্র চাই, তবে সেটিও অবশ্যই সারকুলারে উল্লেখ থাকবে। তাই সার্কুলার দেখে সেই নির্ধারিত কাগজপত্রগুলোও সাথে নিয়ে যাবেন।

আর একটি বিষয়ঃ আপনার যদি অতিরিক্ত যোগ্যতার কোন সার্টিফিকেট থাকে, তাহলে সেগুলোও নিয়ে যাবেন। যেমনঃ সাঁতার, দৌড়, হা-ডু-ডু খেলার, ফুটবল খেলার ইত্যাদি। স্কুলে পড়ার সময় ইন্টার-স্কুল নামের একটি খেলার আয়োজন করে থাকে স্কুল কর্তৃপক্ষরা। সেখানে প্রত্যেক স্কুলের ছাত্র/ছাত্রীরাই খেলার সুযোগ পায়। তাই আপনার যদি সেই সব সার্টিফিকেট থাকে, সেগুলো সাথে নিয়ে যাবেন। সেগুলো আপনার চাকরি পেতে আরো একধাপ সামনে এগিয়ে রাখবে।

** একজন পুলিশের বেতন ও সুযোগ-সুবিধাঃ
ছয় মাসের প্রশিক্ষণ চলাকালে ফ্রি-তে পাওয়া যাবে পোশাক, থাকা-খাওয়া ও চিকিৎসা সুবিধা। পাশাপাশি দেওয়া হবে বেতনের সাথে ৭৫০ টাকা মাসিক ভাতা। প্রশিক্ষণ শেষে নিয়োগপ্রাপ্তদের ২০১৫ সালের বেতন স্কেলের ১৭তম গ্রেড অনুযায়ী বেতনক্রম হবে ৯০০০-২১৮০০ টাকা। আবার ৯০০০ টাকা বেসিক বেতন হলে, ভাতা ও অন্যান্য সকল কিছু নিয়ে মোট আনুমানিক বেতন হবে ১৫ থেকে ১৬ হাজার টাকা। পাওয়া যাবে পোশাকসামগ্রী, ঝুঁকি ভাতা, চিকিৎসা সুবিধা । নিজ ও পরিবারের নির্ধারিত সংখ্যক সদস্যের প্রাপ্যতা অনুযায়ী পারিবারিক রেশনসামগ্রী স্বল্পমূল্যে ক্রয় করতে পারবেন। এছাড়া প্রচলিত নিয়মানুযায়ী উচ্চতর পদে পদোন্নতি হতে পারবে। খুব ভালো করলে মিশনেও যেতে পারবেন সহজেই । জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে যোগদানেরও সুযোগ রয়েছে পুলিশদের ।

আশা করি কিছুটা ধারনা পেয়েছেন এই বিষয় দুটিতে।

ধন্যবাদ।


Related Tags: পুলিশের চাকরির যোগ্যতা 2021,পুলিশের বেতন কত,পুলিশের বেতন স্কেল ২০২১,পুলিশের এসআই এর বেতন কত,পুলিশের বেতন কত ২০২১,পুলিশের কনস্টেবল বেতন স্কেল ২০২০,পুলিশের ওসির বেতন কত,পুলিশ সার্জেন্ট এর বেতন,পুলিশের ভাতা সমূহ ,পুলিশের এসআই পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ,পুলিশের এসআই হওয়ার যোগ্যতা,পুলিশের এসআই এর বেতন কত,পুলিশের চাকরির যোগ্যতা ,পুলিশের চাকরির জন্য উচ্চতা কত লাগে,পুলিশের চাকরির জন্য ওজন কত লাগে,sp police salary in bangladesh,bangladesh police salary 2019,sub inspector of police salary in bangladesh,asp police salary in bangladesh,inspector salary in bangladesh,bangladesh police constable salary 2020,superintendent of police salary in bangladesh,police constable salary scale bd,bangladesh police constable job circular 2021 update,www.police.gov.bd 2020,www.police.gov.bd result 2020,www.police.gov.bd job circular 2021,bangladesh police constable circular 2021,bd police constable job circular 2021,bangladesh police job circular 2021,bangladesh police circular

বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেওয়ার যোগ্যতা, বাছাই প্রক্রিয়া

Bangladesh police join qualification

 শান্তি শৃঙ্খলা নিরাপত্তা প্রগতি এই নিয়ে বাংলাদেশ পুলিশ,  বাংলাদেশের একমাত্র আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা, যা  স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত।

শিক্ষাগত যোগ্যতা:
এসএসসি বা সমমান পাস প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। প্রার্থীদের উভয় পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ থাকতে হবে ২ দশমিক ৫ ।

বয়স:
আবেদনের জন্য প্রার্থীদের বয়স বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া তারিখে ১৮ থেকে ২০ বছর হতে হবে। তবে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৩২ বছর। আবার মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের সন্তান হলে বয়স ১৮ থেকে ২০ বছরের মধ্যেই হতে হবে।

শারীরিক যোগ্যতাঃ
পুরুষ প্রার্থীদের জন্য উচ্চতা ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি এবং বুকের মাপ স্বাভাবিক অবস্থায় ৩১ ইঞ্চি ও সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩৩ ইঞ্চি হতে হবে।

মুক্তিযোদ্ধা কোটায় আগ্রহী পুরুষ প্রার্থীদের জন্য উচ্চতা কমপক্ষে ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি এবং বুক স্বাভাবিক অবস্থায় ৩০ ইঞ্চি এবং সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩১ ইঞ্চি মিটার হতে হবে


উপজাতীয় কোটায় পুরুষ প্রার্থীদের জন্য উচ্চতা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি এবং বুকের মাপ স্বাভাবিক অবস্থায় ৩১ ইঞ্চি ও সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩৩ ইঞ্চি হতে হবে।


নারী প্রার্থীদের জন্য সব কোটায় উচ্চতা ৫ ফুট ২ ইঞ্চি হতে হবে।


প্রার্থীদের ওজন উচ্চতা ও বয়স অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে।

শুধু অবিবাহিত নারী ও পুরুষরা TRC আবেদন করতে পারবেন।

এখন দেখে নেই বাছাই প্রক্রিয়া। সাধারণত ৪ টি ধাপে বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে থাকে তারা। তার মধ্যেঃ

প্রথমেই শারীরিক মাপ ও শারীরিক পরীক্ষা:
নির্ধারিত তারিখে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ নিজ জেলার পুলিশ লাইনস মাঠে উপস্থিত হতে হবে। শারীরিক মাপ পরীক্ষায় প্রথমেই বিজ্ঞপ্তির বর্ণণা অনুযায়ী বয়স, উচ্চতা, বুকের মাপ এবং ওজন ঠিক আছে কিনা মিলিয়ে নেয়া হয়। বয়সের সঙ্গে উচ্চতা ও ওজনের সামঞ্জস্য আছে কিনা তাও দেখা হয়। এরপর অংশ নিতে হবে দৌড়ে। ফিটনেস যাচাইয়ের জন্য হতে পারে লং জাম্প পরীক্ষাও।
পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ব্যায়ামের উপযোগী পোষাক সাথে রাখতে পারেন। লং জাম্প বা দৌড় পরীক্ষায় অন্য প্রার্থীদের চেয়ে ভালো করতে চাইলে আগেই নিজ উদ্যোগে এ ধরনের ব্যায়ামের মাধ্যমে নিজেকে প্রস্তুত করে নিতে পারো।

শারীরিক মাপ ও শারীরিক পরীক্ষায় টিকলে পরের পরীক্ষার জন্য প্রবেশপত্র দেয়া হবে। লিখিত, মনস্তাত্ত্বিক এবং মৌখিক পরীক্ষার সময় এ প্রবেশপত্র সাথে রাখতে হবে।

২য়ত লিখিত পরীক্ষারঃ
লিখিত পরীক্ষার সময় ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। পূর্ণমান ৪০। পরীক্ষায় পাস করতে হলে কমপক্ষে ৪৫% অর্থাৎ অন্তত ১৮ নম্বর পেতে হবে। যেহেতু শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি চাওয়া হয়েছে, সে উপযোগী প্রশ্নই করা হয়। অষ্টম থেকে দশম শ্রেণির ইংরেজি, বাংলা এবং সাধারণ গণিত বই আয়ত্ত্বে থাকলে পরীক্ষায় ভালো করা যাবে। লিখিত পরীক্ষার কয়েকদিনের মধ্যেই উত্তীর্ণদের তালিকা প্রকাশ করা হবে।

৩য়ত মৌখিক পরীক্ষা:
মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষায় ২০ নম্বর বরাদ্দ থাকে। পাস করতে হলে এ ধাপেও কমপক্ষে ৪৫% নম্বর পেতে হবে। ভাইভা বোর্ড প্রার্থীর ব্যক্তিগত তথ্য এবং সাধারণ জ্ঞান বা সাম্প্রতিক বিষয়ে প্রশ্ন করতে পারে। প্রার্থীর মনস্তাত্ত্বিক দক্ষতা যাচাইয়ের জন্যও প্রশ্ন করা হতে পারে। ভাইভা বোর্ডে মার্জিত এবং পদের সাথে উপযুক্ত পোষাক পরে উপস্থিত হওয়া ভালো। ভালোভাবে সব প্রশ্নের জবাব দিতে পারলে এবং নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে পারলে মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া সম্ভব।

সর্বশেষ চূড়ান্ত নির্বাচন:
লিখিত, মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে মেধাতালিকা করা হবে। নির্বাচিতদের পুলিশ ভেরিফিকেশন ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্টে যোগ্য বিবেচিত হলে প্রশিক্ষণের জন্য প্রাথমিক মনোনয়ন দেয়া হবে। প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীরা প্রশিক্ষণকেন্দ্রে যোগ দেওয়ার পর পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের প্রতিনিধির সমন্বয়ে গঠিত পুনর্বাছাই কমিটি শারীরিক যোগ্যতা ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করবে। চূড়ান্ত বাছাইয়ে যোগ্য প্রার্থীরা ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল বা TRC হিসেবে ছয় মাসের মৌলিক প্রশিক্ষণে অংশ নিতে পারবেন।

অফিস সহায়ক, পিয়ন, দফতরি, চাপরাশি , আর্দালি এদের কাজ কি ?

অফিস সহায়ক, পিয়ন, দফতরি, চাপরাশি , আর্দালি এদের কাজ কি?

চতুর্থ শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত পিয়ন পদটির সাথে আমাদের দেশের মানুষ সুপরিচিত। কোনো কোনো কার্যালয়ে পিয়নকে দফতরি, চাপরাশি বা আর্দালি নামে ডাকা হতো। পিয়ন শব্দটি ইংরেজি। পিয়ন, দফতরি, চাপরাশি, আর্দালি প্রভৃতিকে এমএলএসএস নামেও অভিহিত করা হতো। সরকারি অফিসে পিয়ন কিংবা এমএলএসএস নামে ব্রিটিশ আমলের পদ আর নেই। এই পদের নতুন নামই হচ্ছে অফিস সহায়ক। ২০১৪ সালে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে পিয়নেই নতুন এই নামকরণসহ চতুর্থ শ্রেণীর ৩৪টি পদের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য কিছু পদের মধ্যে এমএলএসএস/ দফতরি/পিয়ন/ডিম পরীক্ষক/শেয়ারিং এটেনডেন্ট/বুচার/টি বার অ্যাসিসটেন্ট/চাপরাশি পদগুলোর একক নাম হয়েছে অফিস সহায়ক। অফিস সহায়কের কাজ হচ্ছে তার উর্ধতন কর্মকর্তাদের কাজে প্রয়োজনীয় সহযোগীতা করা। অফিস সহায়ক অর্থ- অফিসের কাজে সহায়তা করা। পদবির অর্থ থেকেই স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায় তাদের কর্মপরিধি বা কর্মের ব্যাপ্তি কতটুকু । তারপরেও আমি উল্লেখযোগ্য কিছু দায়িত্বের কথা আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম। যাতে আপনারা বিষয়টটি সম্পর্কে ক্লিয়ার হতে পারেন।

পিয়ন এর কাজের প্রধান দায়িত্ব ও কর্তব্য গুলো হলঃ
১। অফিসের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা।
২। অফিসের ফাইল এবং কাগজপত্র নির্দেশক্রমে একস্থান হইতে অন্যস্থানে কিংবা অন্য অফিসে স্থানান্তর করা।
৩। হালকা আসবাবপত্র অফিসের মধ্যে একস্থান হইতে অন্যস্থানে সরানো।
৪। গোপন অথবা গুরুত্বপূর্ণ ফাইলসমূহ স্টিলের বাক্স বন্দী করিয়া নির্দেশক্রমে এক অফিস হইতে অন্য অফিসে নেয়া।
৫। সকাল, দুপুর ও বিকেল এর সকল প্রকার খাবার, চা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য প্রয়োজন ও চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করে থাকেন।
৬। তাহারা অফিসের সমস্ত মনিহারী ও অন্যান্য দ্রব্যাদি সংরক্ষণের জন্য দায়ী থাকিবেন।
৮। তাহারা স্ব স্ব শাখা এবং কর্মকর্তার নির্দেশিত কাজ করিবেন।
৯। অ্যাকাইন্টস ও এইচ আর এর জন্য প্রয়োজনীয় ফাইল তৈরী করে দেয়া।
১০। তাহার দর্শণপ্রার্থী এবং পাবলিকের সহিত ভদ্রতা বজায় রাখিয়া ব্যবহার করিবেন
১২। তাহারা বিনা অনুমতিতে কোন সময় অফিস ত্যাগ করিবেন না।

মোট কথা হলঃ অফিস কর্তৃপক্ষ বা বস পিওনের দায়িত্ব নির্ধারণ করবেন। অফিসের প্রয়োজনে যে কোন কাজ করতে বললে, সেই কাজই করতে হবে । তাই বলে ঝাড়ুদারের কাজ নয়, তাই বলে ম্যাথরের কাজ নয়। সাধারণত আমরা পিওন বা অফিস সহায়কের একই কাজ করতে দেখে থাকি।

আরো অন্য কোনো পদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে জানার থাকলে কমেন্ট জানাবেন। আজ এই পর্যন্তই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন । আল্লাহ্‌ হাফেজ

নার্স কিভাবে হবেন ? নার্সদের বেতন সুযোগ সুবিধা, How to become a nurse

নার্সিং পেশায় ক্যারিয়ার

নার্স সবার কাছে একটি অতিপরিচিত শব্দ। যারা নার্সিং বিষয়ে দক্ষ, তাদেরই বলা হয়ে থাকে নার্স। হাসপাতালগুলোতে আমরা যাদেরকে সিস্টার বলে সম্মোদন করি তারাই হল নার্স। নার্স এর বাংলা অর্থ সেবিকা।

Career in Nursing in Bangladesh

বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব দেশেই রয়েছে নার্সদের চাহিদা। আসলে এটি এমন একটি পেশা, যার চাহিদা স্থান, কাল, পাত্রে সীমাবদ্ধ নয়। আমাদের দেশের প্রেক্ষিতে বিবেচনা করলে দেখা যায়, গত কয়েক বছরে দেশে সরকারি হাসপাতালসহ প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক এবং ডায়গনস্টিক সেন্টারের সংখ্যা দিনদিন বেড়েই চলেছে। চিকিত্সা সেবার সাথে সংশ্লিষ্ট এসব প্রতিষ্ঠানে নার্স বা সেবিকাদের চাহিদাও দিনদিন বেড়ে চলেছে। এ কারণে অনেক সময়েই দেখা যায়, ভালো অনেক প্রতিষ্ঠানেই দক্ষ নার্সদের অভাব রয়েছে।

আমাদের দেশে ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ারদের যতটা চাহিদা রয়েছে এবং অভিভাবকদের এসব বিষয়ে পড়ানোর যে প্রবণতা রয়েছে, নার্সিং পেশাতে পড়ার এবং পড়ানোর প্রবণতা তেমন করে নেই। ফলে পড়ালেখা শেষ করে মানবসেবা করা ছাড়াও ভালো ক্যারিয়ারের যে সম্ভাবনা রয়েছে, সেই সম্ভাবনা তাই অনেকেই গ্রহণ করতে পারছেন না। নার্সিং বিষয়ে অনেকের স্পষ্ট ধারণাও নেই। নার্সিং নিয়ে কোথায় পড়ালেখা করা যায় কিংবা কীভাবে ক্যারিয়ার গঠন করা যায়, সেসব বিষয় নিয়েই জানাবো আজ। তাই ভিড়িওটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত ভালো করে দেখে নিন।

কোথায় পড়বেন নার্সিংয়ে:

বিএসসি ইন নার্সিং তথা নার্সিংয়ের ওপর গ্র্যাজুয়েশন বা স্নাতক পর্যায়ের পড়ালেখা করার সুযোগ কিছুদিন আগেও আমাদের দেশে ছিল না। এই বিষয়ে কেবল ডিপ্লোমা এবং প্রাইমারি কোর্সই চালু ছিল। তবে বর্তমানে সরকারি পর্যায়ে ৭টি বেসিক বিএসসি নার্সিং কলেজে এই কোর্স চালু রয়েছে। এদের প্রতিটিতে আসন সংখ্যা ১০০টি করে। এর বাইরে বেসরকারি কয়েকটি প্রতিষ্ঠানেও রয়েছে । এর মধ্যে রয়েছে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস, এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি) এবং স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ। আর ৪টি সরকারি পোস্ট-বেসিক বিএসসি নার্সিং কলেজে রয়েছে ১২৫টি করে আসন। এছাড়াও আরো আছে সরকারি ৪৩টি নার্সিং ও বেসরকারি ৭০টি ইনিস্টিটিউটে তিন বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি ও ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি এবং চার বছর মেয়াদী ব্যাচেলর অফ সায়েন্স ইন নার্সিং কোর্স। নার্সিংয়ের প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে কোর্সের শেষে ছয় মাসের ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করার পর বাংলাদেশ নার্সিং কাউন্সিল আয়োজিত পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। এতে উত্তীর্ণ হবার মাধ্যমে নিবন্ধিত হলেই পেশা হিসাবে নার্সিং নিতে পারবেন।

নার্সিং পেশার সম্ভাবনার দিক বিবেচনা করেই এখন অনেক প্রতিষ্ঠানই নার্সিংয়ে পড়ালেখার সুযোগ করে দেওয়ার কথা জানাচ্ছে। বিদেশি কারিকুলামের সাথে সামঞ্জস্য রেখেই দেশের বিএসসি ইন নার্সিংয়ের পাঠ্যসূচি তৈরি করা হয়েছে। তবে বাংলাদেশ নার্সিং কাউন্সিল অর্ডিন্যান্স নং LXI-1983 অনুযায়ী কাউন্সিল এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ব্যতিরেকে কোনো প্রতিষ্ঠান নার্সিং বিষয়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা, ভর্তি করা, সনদপত্র প্রদান ইত্যাদি কাজ করতে পারবে না। কাজেই কোনো প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগেই জেনে নিতে হবে তার সঠিক অনুমোদন রয়েছে কি না।

ভর্তি সংক্রান্ত তথ্য নার্সিংয়ে :

বিএসসি ইন নার্সিংয়ে ভর্তি হতে চাইলে প্রার্থীকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক এবং সমমানের পরীক্ষার প্রতিটিতে ন্যূনতম জিপিএ ২.৫০ করে পেতে হবে। বিজ্ঞান বিভাগে পড়ুয়াদের জন্য অগ্রাধিকার হলেও মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থীরাও ভর্তি হতে পারে এই বিভাগে। ভর্তি সাধারণত জিপিএর ভিত্তিতেই নেওয়া হয়। এইচএসসির ফলাফল বের হওয়ার পরপরই ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়। ভর্তির সার্বিক খরচ বাবদ তিন থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা লাগে। তবে গরিব ও মেধাবীদের জন্য বৃত্তির সুযোগ রয়েছে।

নার্সিংয়ে কাজের সুযোগ :

এ বিষয়ে পড়ার পর দেশ-বিদেশে সর্বত্রই ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ আছে। দেশে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল, সমাজসেবা অধিদপ্তর, হোটেল, এনজিও এমনকি পর্যটন কর্পোরেশনেও ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ রয়েছে। এ ছাড়া বিদেশে নার্সিংয়ে বিএসসি পাস করে CFNS বা Commission on Graduates of Foreign Nursing Schools-এর পরীক্ষায় পাস করে কানাডাসহ বিভিন্ন দেশে সহজেই কাজ করার সুযোগ আছে। তবে বিদেশে চাকরি পেতে হলে নার্সদের প্রশিক্ষিত হওয়ার পাশাপাশি ইংরেজিতে পারদর্শী হতে হবে। বর্তমানে বাংলাদেশের প্রায় সাড়ে ১৩শ` নার্স সৌদি আরব, লিবিয়া, যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের তেরটি দেশে কর্মরত রয়েছেন। ইংরেজি জানা ও উন্নত প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে দক্ষ নার্স গড়ে তুলতে পারলে এই খাতে প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব। নার্স থেকে পদোন্নতি পেয়ে সিনিয়ার স্টাফ নার্স ও সুপারিন্টেনডেন্ট বা নার্সিং ট্রেনিং কলেজের প্রশিক্ষক হওয়ার জন্য প্রয়োজন অভিজ্ঞতা ও বিশেষায়িত কারিগরি দক্ষতা। এছাড়াও সরকারের সেবা পরিদপ্তরের উচ্চ পদে যেতে পারেন নার্সরা। সেবাধর্মী এ পেশায় আপনিও অর্জন করতে পারেন সামাজিক মর্যাদা ও ভালো আয়ের সুযোগ।

একজন নার্সের মাসিক আয় কেমন?
ক্যারিয়ারের শুরুতে অ্যাসিস্ট্যান্ট নার্স বা ওটি সিস্টার হিসেবে সরকারি হাসপাতালে যোগ দিলে একজন নার্স সরকারি বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী সম্ভাব্য গড় বেতন ৳৮,০০০ – ৳১৬,৫৪০ মাসিক বেতন পেয়ে থাকেন। বেসরকারি ক্লিনিকে সাধারণত মাসিক ৳১৪,০০০ থেকে বেতন শুরু হয়। তবে প্রতিষ্ঠানভেদে কমবেশি হতে পারে।

সরকারি বেসিক বিএসসি নার্সিং কলেজ :

  1. ১. ঢাকা নার্সিং কলেজ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা।
  2. ২. ময়মনসিংহ নার্সিং কলেজ, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ময়মনসিংহ।
  3. ৩. রাজশাহী নার্সিং কলেজ, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রাজশাহী।
  4. ৪. চট্টগ্রাম নার্সিং কলেজ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, চট্টগ্রাম।
  5. ৫. রংপুর নার্সিং কলেজ, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রংপুর।
  6. ৬. সিলেট নার্সিং কলেজ, এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সিলেট।
  7. ৭. বরিশাল নার্সিং কলেজ, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশাল।

সরকারি পোস্ট-বেসিক বিএসসি নার্সিং কলেজ

  • ১. সেবা মহাবিদ্যালয়, মহাখালী, ঢাকা।
  • ২. ফৌজদারহাট নার্সিং কলেজ, চট্টগ্রাম।
  • ৩. বগুড়া নার্সিং কলেজ, শজিমেকহা, বগুড়া।
  • ৪. খুলনা নার্সিং কলেজ, খুলনা।

এই ছিল নার্সিং সর্ম্পকিত কিছু তথ্য আশা করি আপনারা নার্সিং নিয়ে কিছুটা তথ্য পেয়েছেন। নার্সিং এ ক্যারিয়ার গড়ে মানব সেবার মত মহৎ পেশায় আপনার জীবন গড়ে তুলুন। ভালো থাকবেন সুস্থ্য থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।

পুলিশ সাব ইন্সপেক্টর (এসআই) যোগদানের যোগ্যতা, বেতন, সুযোগ সুবিধা।

কে না চায় নিজের ঘরে অন্তত একজন পুলিশের লোক থাকুক। পুলিশের ইউনিফর্মে আলাদা একটা ভাব ও মর্যাদা রয়েছে। এই ক্যারিয়ারে আছে চ্যালেঞ্জ, আছে অবিরাম সুযোগ, বৈধপথেই লাখ টাকা আয় সহ নানা সুবিধা অসুবিধা। তাই আজ জেনে নিব বাংলাদেশ পুলিশের এস.আই বা ‘সাব-ইন্সপেক্টর’এ যোগ দেয়ার শারিরীক যোগ্যতা,বাছাই পরিক্ষা এবং এস.আই এর সুযোগ-সুবিধা, বেতন ভাতা ইত্যাদি JCT Tube এর সৌজন্যে আজ জেনে নিন সেসব। আশা করি আপনার এই পোস্টির মাধ্যমে ভালো কিছু জানতে পারবেন। তো চলুন জেনে নেয়া যাক বিস্তারিত।

যদি আপনার কাছে মনে হয় এই পোস্ট পড়ে কেন এত সময় নষ্ট করবো এর থেকে একটি ভিড়িও হলে ভালো হতে। তবে তার জন্য দেখে নিতে পারেন আমাদের ভিড়িওটি যাস্ট একটি ক্লিকের মাধ্যমেঃ

বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে ‘সাব-ইন্সপেক্টর’ (এসআই) পদে প্রতিবছরই বড়সংখ্যক জনবল নিয়োগ হয়। এস.আই (নিরস্ত্র) বা ‘সাব-ইন্সপেক্টর’ পুলিশের এই পদটি সেকেন্ড ক্লাস গেজেটেড অফিসার। সাব-ইন্সপেক্টরকে পুলিশের বাহিনীর মেরুদন্ড বলা হয়। কারণ, তারা ইনভেস্টিগেশন অফিসার হিসাবে প্রায় সকল মামলার তদন্ত করা সহ মাঠ পর্যায়ে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ করে। আর নিরস্ত্র মানে যারা মামলার তদন্ত করতে পারবে এবং অস্ত্র বহন করতে পারবে। যা সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী পারবে না।

বাছাই-পদ্ধতি
সাধারণত প্রায় বছরের মার্চ-এপ্রিলের দিকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। স্নাতক বা অনার্স ডিগ্রিধারীরাই এসআই পদে আবেদনের সুযোগ পান। নিয়োগের বাছাই পরীক্ষা হয় ৪ ধাপে—
১. শারীরিক পরীক্ষা,
২. লিখিত পরীক্ষা-২২৫মার্ক: পরীক্ষা হয় ৩ দিন। প্রথম দিন মনস্তাত্বিক পরীক্ষা-২৫ মার্ক। দ্বিতীয় দিন বাংলা ও ইংলিশ-১০০ মার্ক। তৃতীয় দিন গনিত ও সাধারণ জ্ঞান-১০০ মার্ক।
৩. মৌখিক পরীক্ষা (১০০)। আর সব শেষে
৪. স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পুলিশ ভেরিফিকেশন (ভিআর)। শেষ ধাপ পর্যন্ত সফলভাবে টপকাতে পারলেই চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়া যাবে।

শারীরিক যোগ্যতা:
গত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, পুরুষ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে উচ্চতা কমপক্ষে ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি এবং বুকের মাপ স্বাভাবিক অবস্থায় ৩০ ইঞ্চি। আর নারীদের ক্ষেত্রে উচ্চতা কমপক্ষে ৫ ফুট ২ ইঞ্চি।
বয়স ও উচ্চতার সঙ্গে ওজনের ভারসাম্য থাকতে হবে। প্রার্থীকে দৌড়, জাম্পিং ও রোফ ক্লিম্বিংয়ে অংশ নিতে হবে। এই ধাপ উতড়ালেই প্রার্থী লিখিত পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হবেন। আর প্রার্থীকে অবশ্যই অবিবাহিত হতে হবে।

০৭ মার্চ ২০২১ এসআই সার্জেন্ট ও কনস্টেবল পদে নিয়োগের বিধি মালা সংস্কার হয়। সংস্কারে বিশাল আকারে পরিবর্তন আসে।

যেমনঃ নির্বাচিত কোনো ব্যক্তি কোনোক্রমেই ৫ ফুট ৬ ইঞ্চির কম উচ্চতা হতে পারবে না। বুকের মাপ ৩২ ইঞ্চি সাধারণ এবং বর্ধিতকরণ ৩৪ হতে হবে। তবে মহিলাদের ক্ষেত্রে উচ্চতা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি হতে পারে। তাদের ওজন অনুমোদিত মাপ হিসাবে হতে হবে।

বয়স: নিয়োগের নির্ধারিত তারিখে ১৯-২৭ বছর বয়স হতে হবে । বিশেষ ক্ষেত্রে ১৯-৩২ বছর।
নাগরিকত্ব: জন্মসূত্রে বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক

সুযোগ-সুবিধাঃ
নির্বাচিত হওয়ার পর এক বছরের মৌলিক প্রশিক্ষণ চলাকালে মাসিক প্রশিক্ষন ভাতার পাশাপাশি বিনা খরচে খাওয়া, বাসস্থান, ইউনিফর্ম দেওয়া হয়।
একজন সাব-ইন্সপেক্টর ‘সরকারি বেতন স্কেল-২০১৫’ অনুযায়ী দশম গ্রেডের বেসিক ১৬০০০ থেকে ৩৮৬৪০ টাকা হারে বেতন পান।
এ ছাড়া বিনা মূল্যে পোশাক, রেশন, ঝুঁকিভাতা, চিকিত্সাভাতা, যাতায়াতভাতা, মামলা তদন্ত ভাতা মিলিয়ে প্রথম দিকে প্রায় ৩০ হাজার টাকার মতো মাসিক বেতন পেয়ে থাকেন।
আরো প্রতি বছরই পহেলা বৈশাখ, ঈদ কিংবা পূজায় উত্সবভাতা পান। বেতন ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। যোগ্যতার প্রমাণ দিতে পারলে বিদেশে মিশনে যাওয়ারও সুযোগ মিলতে পারে। প্রতি ১ বছরের মিশনে ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করা সম্ভব। সাধারণত চাকরি জীবনে ৩টার বেশি মিশন পাওয়া যায় না। মিশন বা প্রশিক্ষনের সুবিধার্থে বিনা খরচে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভ্রমণের সুযোগ থাকে।
যোগ্যতা অনুযায়ী পদোন্নতিও পাওয়া যায়। সাব-ইন্সপেক্টর থেকে পদোন্নতি পেয়ে অ্যাডিশনাল এসপি বা অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার হওয়া যায়।

সেনাবাহিনীর সিএমএইচ এর মতো এতো উন্নত না হলেও পুলিশের জন্য রয়েছে রাজারবাগে পুলিশ হাসপাতাল । খুবই গোছোনো, পরিস্কার পরিচ্ছন্ন, এই হাসপাতালের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কেবিনে আপনি আন্তরিক সেবা পাবেন । সবধরনের অপারশেন এর ব্যবস্থা এখানে ধীরে ধীরে গড়ে উঠছে । এখানে বড় সুবিধা হলো সব ধরণের ওষুধ এর পর্যাপ্ত সরবরাহ । কোন ওষুধ না পাওয়া গেলে প্রয়োজনে অর্ডার দিয়ে আনা হয় সেটা যত দূর্লভ আর দামিই হোক না কেন ।এই সুবিধা আপনি অন্য কোন জবে পাবেন না ।

এখানে চাকরির বৈচিত্র্যতা আছে। আপনি চাইলে ইউনিফর্ম পরে থানায় ব্যস্ততম জীবন-যাপন করতে পারেন অথবা পুলিশের অন্য ইউনিট-এ সিভিলের মতো এসি রুমে ৯টা-৫টা অফিস করতে। পুলিশের এই চাকুরী মতো এতো বৈচিত্র্য আপনি আর কোন জবেই পাবেননা ।আপনি পুলিশিং ছাড়াও এখানে ইচ্ছে করলে শিক্ষকতা করতে পারবেন ট্রেনিং একাডেমী ও স্কুলে, পোশাক ভালো না লাগলে সাদা পোশাকে গোয়েন্দাগিরি, সি আই ডিতে কোন বিশেষ শাখায় গবেষণা থেকে আই টি বিভাগের এক্সপার্ট, পুলিশ হাসপাতালে ডাক্তারী থেকে ডিবির বোম্ব ডিসপোজাল টিমের টিম লিডার, ডেস্কজব থেকে শুরু করে রাস্তায় হরতাল ডিউটি আপনার ইচ্ছে এমন সবকিছু যা অন্য চাকুরীতে করতে চাইতেন তা এখানে পাবেন ।প্রত্যেক ইউনিটে আলাদা আলাদা পোশাক আপনাকে দিবে রুচি বদলের সুযোগ ।এপিবিএন থেকে স্পেশাল ব্রাঞ্চ, নৌ-পুলিশ থেকে টুরিস্ট পুলিশ, বাংলাদেশ পুলিশ থেকে জাতিসংঘ মিশনের সদর দপ্তর সব জায়গায় পদচারন করার সুযোগ থাকে সাব-ইন্সপেক্টরের । এছাড়া রিকশাওয়ালা থেকে শুরু করে দিনমজুর, প্রধানন্ত্রীর প্রটোকল থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপতি ভবন, সবার সরাসরি সেবা আপনি করতে পারবেন । খেলার সময় বিশ্বের নামী দামি খেলোয়ারদের নিরাপত্তা দিয়ে,কাছ থেকে দেখার ও সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন। আর একজন সাব-ইন্সপেক্টর হতে পারলে , তার জন্য পারিবারিক ও সামাজিক নিরাপত্তা সু-নিশ্চিত।

এতক্ষন অনেক সুবিধাই দেখলাম। দেখে তো খুব ভালো মনে হলো। আমাদের সবারই জানা যার যত সুবিধা, তার আবার কিছু হলেও অসুবিধা থাকে। তেমনই এই চাকরিতেও কিছু অসুবিধা রয়েছে। যেমন:
১। চ্যালেঞ্জিং জব। সর্বদা বিচক্ষণ থাকতে হয়।
২। মাঝে মাঝে চরম বিরূপ পরিবেশে কাজ করতে হয়। আপনার সামান্য ভুলের কারণে অপূরণীয় ক্ষতি হতে পারে।
৩। আপনি সৎ হওয়া সত্বেও, কতিপয় লোক আপনার সমালোচনা করতে পারে। কারন বাইরে থেকে দেখা যাবে আপনি অন্যয় কাজ করতেছেন। কিন্তু আসলেই তা নয়। তো সভাবতই সমালোচনার মুখে পড়তে হয়।
১। পূর্বে এসআই থেকে ইন্সপেক্টর(অর্থাৎ ওসি) এ প্রমোশন পেতে ১৫/১৬ বছর লেগে যেত। সরকারের আন্তরিকতায় বর্তমানে চাকরির মেয়াদ ৫ বছর ও ইন্সপেক্টরশীপ পাস করলেই প্রমোশন হয়ে যায়।
২। পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর টু আইজিপি পর্যন্ত পদের রাঙ্ক ব্যাজ এক ধাপ উন্নতি করার প্রক্রিয়া চলছে। আশা করি খুব শীঘ্রই হয়ে যাবে।

এইছিল আজকের টপিক। আশা করি এই টপিকটির মাধ্যমে আপনার এসআই সর্ম্পকে মোটামুটি ধারনা পেয়েছেন। ভালো লাগলে শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন।

ধন্যবাদ।

বিসিএস ক্যাডার কি? কেন বিসিএস পড়তে হবে?

প্রিয় ভাই ও বোনেরা আপনাদের সবাইকে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আশা করি আপনার সবাই ভালো আছেন।


আমাদের আজকের পোস্টের বিষয়ঃ বিসিএস ক্যাডার কি? কেন বিসিএস পড়তে হবে? কেন বিসিএস এর এত দাম, বিসিএস এর ক্যাটাগরিগুলো কি কি ইত্যাদি। তো আসুন বিস্তারিত জেনে নেই:-

পোস্টটি পড়তে বিরক্তবোধ করলে লিংকে ক্লিক করে ইউটিউব থেকে আমাদের ভিডিওটি দেখে নিতে পারেনঃ https://www.youtube.com/watch?v=y6HK_4szV3s

বিসিএস পরীক্ষা বা বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা হল দেশব্যাপী পরিচালিত একটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা, যার মাধ্যমে আপনি বিসিএস ক্যাড়ার হওয়ার সুযোগ পেয়ে থাকবেন। শিক্ষা জীবন শেষ করে সবচেয়ে সম্মানি এবং সবচেয়ে বড় পদের চাকরি হল বিসিএস ক্যাড়ার পদের চাকরিগুলো। তাই সবারই স্বপ্ন থাকে বিসিএস ক্যাড়ার হওয়ার। বাস্তবে এই স্বপ্ন পূরণ করা অনেক কঠিন, তার জন্য প্রয়োজন প্রচুর পড়াশোনা এবং অধ্যবসায়।

বিসিএস পরীক্ষা কি?
বিসিএস এর পুরো অর্থ হচ্ছে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস। আর বিসিএস পরীক্ষা হচ্ছে এই সিভিল সার্ভিসে ঢোকার জন্যে যে পরীক্ষা দেওয়া হয় সেইটা। যা বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (বিপিএসসি) কর্তৃক বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে ২৬ পদে কর্মী নিয়োগের জন্য পরিচালিত হয়। বিসিএসের পদ আগে ছিল ২৭টি, ২০১৮ সালে ইকোনমিক ক্যাডারকে প্রশাসন ক্যাডারের সাথে একত্রিত করে, তাই বর্তমানে ২৬ পদে ক্যাডার নিয়োগ হয়। বিসিএস পরীক্ষা পর্যায়ক্রমে তিনটি ধাপে অনুষ্ঠিত হয়- প্রাথমিক পরীক্ষা (এমসিকিউ), তারপর লিখিত পরীক্ষা এবং সর্বশেষ মৌখিক পরীক্ষা (ইন্টারভিউ)। পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ থেকে চূড়ান্ত ফলাফল পর্যন্ত সমগ্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে ১.৫ থেকে ৪ বছর সময় লাগে থাকে।

বিসিএস মানে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস, এখন যদি মনে আসে তাহলে সিভিল সার্ভিস টা আবার কি? তো চলুন দেখি সিভিল সার্ভিস জিনিসটা কি?
সিভিল সার্ভিস হচ্ছে সরকারী চাকুরি। যে কোন দেশে সরকারী চাকুরি মোটামুটি দু ভাগে বিভক্তঃ মিলিটারি আর সিভিল। মিলিটারি বলতে আর্মি, নেভি, এয়ারফোর্স বোঝায়, আর সিভিল সার্ভিস বলতে প্রশাসন (মানে যাঁরা ম্যাজিস্ট্রেট, জেলার ডিসি, মন্ত্রনালয়ের সচিব এসব হন তাদেরকে বুঝায়) আরও আছে পুলিশ, ট্যাক্স , পররাষ্ট্র, কাস্টমস ,অডিট , শিক্ষা ইত্যাদি ২৬টি সার্ভিস নিয়ে হল বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস। এবার আশা করি বুঝতে পারছেন।

সিভিল সার্ভিস তো বুঝলাম। তবে এদেরকে আবার ক্যাডার বলার কি আছেঃ এমন প্রশ্ন থাকলে, তবে জেনে নিন বিসিএসধারীদের ক্যাডার বলার সু-নির্দিষ্ট কারন আছে। তো চলুন দেখি ক্যাডার কেন বলে।
ক্যাডার মানে হচ্ছে কোন সুনির্দিষ্ট কাজ করার জন্যে বিশেষ ভাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একটি দল। সরকারী চাকুরির সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব পালন করতে নিয়োগপ্রাপ্তদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে গড়ে তোলা হয়, তাই এদের সিভিল সার্ভিস ক্যাডার বা বিসিএস ক্যাডার বলা হয়।

বিসিএস অফিসারদেরকে প্রথম শ্রেনীর গেজেটেড অফিসার বলা হয়। তার কারন হলঃ ?
বাংলাদেশ সরকারের চাকুরিতে চারটি শ্রেণি আছে, যার সর্বোচ্চ শ্রেণিটাকে বলা হয় প্রথম শ্রেণি বা ফার্স্ট ক্লাস। এদের নিয়োগের সময় সরকারী গেজেট বা বিজ্ঞপ্তি বের হয়, স্বয়ং প্রেসিডেন্ট এদের নিয়োগ দিয়ে থাকেন। সামগ্রিক দিক বিবেচনায় মান মর্যাদা, দায়িত্ব-কর্তব্যের পরিধি এবং সুযোগ সুবিধার দিক দিয়ে প্রথম শ্রেণির গেজেটেড অফিসারগণ তুলনামূলক ভালো অবস্থানে থাকেন।

ক্যাডার কত প্রকার?
বিসিএস ক্যাডার মূলতঃ দুই প্রকার। যথা:
১৪ টি সাধারণ ও ১২ টি পেশাগত/কারিগরি, সর্বমোট ২৬ টি ক্যাডার রয়েছে
১) জেনারেল বা সাধারণ ক্যাডার (প্রশাসন,আনসার,নিরীক্ষা ও হিসাব,সমবায়,শুল্ক ও আবগারি,পরিবার পরিকল্পনা,খাদ্য,পররাষ্ট্র,তথ্য,পুলিশ, ডাক,রেলওয়ে পরিবহন ও বাণিজ্যিক,কর,বাণিজ্য,ইকোনমিক (যা আর বর্তমানে নেই));
২) টেকনিকাল বা প্রফেশনাল ক্যাডার(সড়ক ও জনপদ,গণপূর্ত , জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল ,বন,স্বাস্থ্য,রেলওয়ে প্রকৌশল,পশুসম্পদ,মৎস্য,পরিসংখ্যান,কারিগরি শিক্ষা,কৃষি,সাধারণ শিক্ষা )।

জেনারেল ক্যাডারে যে কেউ যে কোন সাবজেক্ট থেকে পরীক্ষা দিয়ে চাকুরি করতে পারেন, কিন্তু টেকনিকাল ক্যাডারে চাকুরি করতে হলে নির্দিষ্ট বিষয়ে শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা লাগবে।

বিসিএস পরীক্ষা দেওয়ার যোগ্যতা কি?
উত্তরঃ- বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে, নির্দিষ্ট বয়স সীমার ভেতরে বয়স থাকতে হবে।
যেকোন বিষয়ে চার বছরের অনার্স বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে। তিন বছরের অনার্স ও এক বছরের মাস্টার্স করা প্রার্থীরাও পরীক্ষা দিতে পারবেন। বিদেশে পড়াশোনা করা ছাত্রছাত্রীরাও শিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে তাদের ডিগ্রি বাংলাদেশের চার বছরের ডিগ্রির সমান- এই সার্টিফিকেট দেখিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। শিক্ষা জীবনে একের অধিক তৃতীয় শ্রেণি (3rd Class) থাকলে বিসিএস পরীক্ষায় আবেদনের অযোগ্য। ইংলিশ মিডিয়ামের / মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রীরাও পরীক্ষা দিতে পারবেন।

সিভিল সার্ভিসের মেডিকেল টেস্ট কেমন হয়?
সিভিল সার্ভিসের মেডিকেল টেস্ট একেবারেই সাধারণ এবং বেসিক হয়, যে কোন সরকারী হাসপাতালে গিয়ে ডাক্তারকে জিজ্ঞাসা করলেই জানতে পারবেন। আপনার যদি অতি গুরুতর কোন সমস্যা না থাকে, সেক্ষেত্রে বাদ পড়ার সম্ভাবনা নেই। পুলিশের মেডিকেল টেস্ট বাকি সব ক্যাডারদের মতই হয়, আলাদা না। শুধুমাত্র উচ্চতা আর ওজনে পার্থক্য আছে কিছুটা। পুলিশের ক্ষেত্রে চোখের নিয়ম হচ্ছে, আপনার চোখ যাই হোক না কেন, যদি চশমা পরার পর সেটা ৬/৬ হয়, তাহলে কোন সমস্যা নেই।

এইছিল বিসিএস সর্ম্পকিত কিছু তথ্য। আশা করি আপনি বিসিএস সর্ম্পকে কিছুটা ধারনা পেয়েছেন। কথা হবে অন্য কোন দিন অন্য কোন টপিক নিয়ে। সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।